সঙ্কেত ডেস্ক:সিএএ নিয়ে কেন্দ্র বনাম রাজ্য টান পড়েনের মাঝে আধার কার্ড ‘ডিঅ্যাক্টিভেট’ বা নিষ্ক্রিয় করা নিয়ে চাঞ্চল্য রাজ্যে। গত কয়েকদিন ধরে ডাকযোগে আধার ডিঅ্যাক্টিভেট হওয়ার চিঠি পেয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকের অন্তত ৬০ জন বাসিন্দা। ডাকযোগে ‘ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (UIDAI) রাঁচির আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই চিঠির বয়ানে কারণ হিসেবে যেটা লেখা হয়েছে সেটা পড়ে কপালে চোখ উঠেছে বাসিন্দাদের। কারণ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আধার কার্ডের ২৮(‌এ)‌ রেগুলেশনে সংশ্লিষ্ট কার্ড ডিঅ্যাক্টিভেট করা হয়েছে। অর্থাৎ বিদেশি বলে সন্দেহ অথবা বাসস্থান সংক্রান্ত নথি উপযুক্ত না থাকলে এই ধারায় আধার কার্ড ডিঅ্যাক্টিভেট করা হয়।

চিঠি হাতে পেয়ে এখন চরম আতঙ্কে ভুগছেন বাসিন্দারা।এই খবর শুনে অনেকেই নাগরিকত্ব হারানোর আতঙ্কে ভুগছেন। এভাবেই কি সিএএ কার্যকর করা হবে?‌ উঠছে প্রশ্ন। কারণ সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছেন, লোকসভা নির্বাচনের আগে দেশের সর্বত্র সিএএ কার্যকর হবে। তারপরই এমন ঘটনা আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে।

এদিকে এই নিয়ে তীব্র আলোড়ন পড়ে গিয়েছে জেলা প্রশাসনের অন্দরেই। সদুত্তোর নেই প্রশাসনিক কর্তাদের কাছেও। এই প্রসঙ্গে জামালপুরের বিডিও পার্থ সারথী দে বলেন, ‘আমাদের কাছে অফিসিয়ালি কোনও চিঠি এসে পৌঁছয়নি। ঠিক কী ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আমাদের কাছে কোনও অর্ডার নেই।’এই বিষয়ে জেলাশাসক বিধানচন্দ্র রায় বলেন, ‘‌বিষয়টি বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।’‌ জেলার পুলিশ সুপার আমনদীপ সিং জানান, সঠিক কী হয়েছে, সেটা খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে পুলিশ।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *