সঙ্কেত ডেস্ক: কেন্দ্রের কাছে বকেয়া টাকা আদায়ে ধরনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা । মাধ্যমিক পরীক্ষার মাঝেই তিনি ধরনায়।একাধিক প্রকল্পের টাকা কেন্দ্র দিচ্ছে না বলেই অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর তার জন্যই এই ধর্না কর্মসূচি। একটা বাজতে তিন মিনিটের দিকে তিনি ধরনা মঞ্চে ওঠেন আগামীকাল ৪৮ ঘণ্টা সম্পূর্ণ হওয়ার সাথে সাথে তিনি মঞ্চ থেকে নামবেন। রেড রোডের ধর্নাস্থল থেকে তোপ দাগলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেই সঙ্গেই ক্য়াগ রিপোর্ট নিয়েও মুখ খুললেন মমতা। বললেন, “ক্যাগ যে কথাটাই জানে না, সেটাই লিখেছে। বলছে ২০০৩ সাল থেকে। আরে ২০০৩ সালে থোড়াই আমরা ছিলাম! ২০১১-র পরে আমরা যখন এসেছি, তখনকার দায়িত্ব নেব। তা সত্ত্বেও বলি, প্রত্যেকটা ইউটিলাইজ়েশন সার্টিফিকেট গেছে। টোটাল মিথ্যা কথা। সত্য কখনও চাপা থাকে না।”টোটাল মিথ্য়া কথা। চিঠিটা পড়ে নেবেন। তাতে লেখা আছে প্রতিটা সার্টিফিকেট সময় মতো পাঠিয়েছি। ২ লাখ কোটি টাকা যেটা বলছে পুরো মিথ্যে কথা। ক্যাগের কাছে কোনও তথ্য়ই ছিল না যে কোনটা লিখতে হবে। কী না লিখব! এটা পুরো বিকৃত তথ্য়। এটা বিজেপি দল লিখেছে।’
এবার প্রধানমন্ত্রীকে ‘স্ট্রং’ চিঠি পাঠালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে ধরনামঞ্চ থেকে মমতা নিজেই জানালেন সে কথা।এরপর তিনি ওই চিঠির কপি পড়ে শোনান। তিনি বলেন ক্রশ চেক করেই আমি লিখেছি।লেখা রয়েছে, আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি, এটা দেখা গিয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতর নির্দিষ্ট সময়ে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট পাঠিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের কাছে। একেবারে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এটা পাঠানো হয়েছে। সেই সার্টিফিকেট দেখেই আপনারা অনুদান পাঠিয়েছেন। কোথাও কোনও বকেয়া ইউটাইলেজেশন সার্টিফিকেট নেই। এটা খুব দুঃখজনক যে ক্যাগের মতো সংস্থা এমন কথা কী করে বলল!
অন্য দিকে মমতার ধর্না মঞ্চে কর্মসূচির দিন রাজ্যের নির্দিষ্ট প্রকল্পের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এ ঘটনা একেবারে কাকতালীয় হতে পারে। ঘটনাচক্রে এদিনই টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *