নিজস্ব প্রতিনিধি: সোমবার থেকে গ্যামন ব্রিজ ময়দানে শুরু হলো দুর্গাপুর কল্পতরু উৎসব। এ দিন রাজ্যের আইন মন্ত্রী র মলয় ঘটক আনুষ্ঠানিক ভাবে এই মেলার উদ্বোধন করেন । উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার মন্ত্রী ।উপস্থিত ছিলেন মেলা কমিটির সভাপতি তথা দুর্গাপুর পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় এসবিএসটিসির চেয়ার ম্যান সুভাষ মণ্ডল প্রমুখ। ৪৩তম এই মেলাকে মূল পাঁচটি ভাগে ভাগ করেছেন উদ্যোক্তারা। একদিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য পৃথক মঞ্চ। দশদিন সেখানে দশজন নামী শিল্পী অনুষ্ঠান করবেন। এছাড়াও রয়েছে বইমেলা। সেখানে ৪৫টির বেশি বইয়ের স্টল রয়েছে। পৃথক মঞ্চে কবি সম্মেলন, সাহিত্য চর্চার আসর বসবে। এছাড়াও চাষিদের উৎসাহিত করার জন্য রয়েছে কৃষিমেলা। বিকিকিনির জন্য অন্য একটি বিশাল মেলা প্রাঙ্গণ রয়েছে। প্রতি বছরই দশদিনের এই মেলায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়। পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে মুড়ে ফেলা হয়েছে। ১০০টি সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি ৩০০জন ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়েছে। এই মেলায় চারদিকে শ্রীরামকৃষ্ণ, মা সারদা ও স্বামীজির ছবি রয়েছে। আগামী ১০ই জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই মেলা । মেলার সম্পাদক বিপ্লব বসু ঠাকুর জানান গতবছরও মুখ্যমন্ত্রী তহবিলের ১০ লক্ষ টাকা তুলে দেওয়া হয়েছিল এবারও ১০ লক্ষ টাকা তুলে দেওয়া হবে। এছাড়া মেলায় উদ্বৃত্ত টাকা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দুর্গাপুরের এই এলাকার চারটি প্রাচীন স্কুলের সৌন্দর্যায়নের কাজে ব্যয় হবে ।
পাশাপাশি এদিন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেবকে স্মরণে রেখে দুর্গাপুরের সাধুডাঙায় এদিন বিশেষ উৎসব আয়োজিত হল। বেলুড় মঠের রামকৃষ্ণ ভাবপ্রচার সঙ্ঘের অনুমোদিত সাধুডাঙা শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রমে এদিন ২০ হাজারের বেশি মানুষ প্রসাদ গ্রহণ করেন। বিশেষ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন স্বামীজির সিমলার বাড়ির অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী জ্ঞানলোকানন্দ, রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক মুক্তিপদানন্দ। ধর্মসভা ও হরিনাম সংকীর্তনের অনুষ্ঠানও হয়।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *