সঙ্কেত ডেস্ক: বর্ধমান রেল স্টেশনে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে মৃত্যু হল তিনজনের। আহত অন্তত ৩০ জন। জানা গিয়েছে,বুধবার দুপুর ১২টা বেজে ৮ মিনিটে বর্ধমান রেল স্টেশনে করোগেটেড শিটের তৈরি জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে বড়সর বিপত্তি ঘটে যায়। ট্যাঙ্ক ভেঙে প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা তিন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত তিন জনের মধ্যে দু’জন হলেন মফিজা খাতুন এবং ক্রান্তি কুমার। একজনের নাম জানা যায়নি। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জখমের সংখ্যা কমপক্ষে ২৭ জন। দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে আরপিএফ এবং দমকল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বর্ধমান স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝে যে জলের ট্যাঙ্কটি ছিল, আচমকাই তা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। কী করে ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ল তা এখনও পরিষ্কার নয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিকট শব্দের পরই আর্তনাদ শুনে বোঝা যায়, বেশ কয়েকজন চাপা পড়েছেন ধ্বংসস্তূপের নীচে। তাঁদের উদ্ধারের জন্য শুরু হয় ছোটাছুটি। ততক্ষণে আরপিএফ ও জিআরপিও ছুটে এসে উদ্ধার কাজে হাত লাগায়। এ পর্যন্ত প্রায় ২৭ জনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই ৩ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন আরপিএফ ও দমকল কর্মীরা। আহতদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।আরও বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এই ঘটনার জেরে দুই এবং তিন নম্বরে এই মুহূর্তে বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল। বাকি প্ল্যাটফর্মগুলি থেকে ধীর গতিতে চলছে ট্রেন।বর্ধমান স্টেশনে দুর্ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগে ২০২০ সালে ৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল বর্ধমান স্টেশনে ঝুল বারান্দা।

দুর্ঘটনার খবর পেয়েই তৎপর হয নবান্নও। বর্ধমানের জেলাশাসককে ফোন করে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব।প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল বর্ধমান স্টেশনের ঝুল বারান্দা।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *