নিজস্ব প্রতিনিধি, পশ্চিম মেদিনীপুর:
এমনও এমনও কি পাশবিক হওয়া যায় ?নিজের কন্যা সন্তানকে নদীতে ফেললো বাবা। পরে জেরার মুখে পড়ে পাশবিক ঘটনার কথা স্বীকার করলো বাবা।পুলিশ এসে আটক করলো ওই শিশুর বাবা ও মাকে।
নির্মম ও পাশবিক এক ঘটনার সাক্ষী থাকলো পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল।

জানা যায় ঘাটালের মানসুকার রামচক গ্রামের বাসিন্দা পেশায় রাজমিস্ত্রি খোকন হাজরা তার তৃতীয় কন্যা সন্তান সামান্য বিকলাঙ্গ ছিল। স্থানীয় মারফত জানা যায় যে 2মাসের শিশু কন্যার সামনের ঠোঁট সামান্য কাটা ছিল।
সেই কন্যাকে ঝুমি নদীতে ফেলে দেয় পাষণ্ড বাবা। বৃহস্পতিবার আইসিডিএস এর কর্মীরা টিকাকরণের জন্য বাড়িতে এসে সন্তানের খোঁজ নেয়,সেই সময় তাদের অসংলগ্ন কথায় আইসিডিএস এর কর্মীরা বুঝে যান, নিশ্চয় অঘটন কিছু ঘটেছে।এরপর স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ও প্রতিবেশীরা এসে চাপ দিতে সকলের সামনে ওই ব্যাক্তি এমন নির্মম ঘটনার কথা স্বীকার করে।
ঘটনার পরেই থানায় খবর দেওয়া হলে ঘাটাল থানার পুলিশ গিয়ে খোকন ও তার স্ত্রীকে আটক করে।
এ ঘটনায় রীতিমতো হতবাক স্থানীয় মানুষজন এবং প্রতিবেশিরা। শিশু কন্যার শারীরিক বিশেষ গঠনের জন্যই কি এমন ঘটনা ঘটলো বাবা। পাশাপাশি শিশু কন্যার মায়ের এই ঘৃণ্য কাজে সায় দেওয়ায় নিন্দার ঝড় উঠেছে জেলা জুড়ে।আর কত লাঞ্ছিত হবে কন্যা সমাজ ? প্রশ্ন তুলছেন বিদ্দজনেরা।
শিশু কন্যার বাবা-মায়ের চরমতম শাস্তির দাবি তুলেছেন এলাকাবাসীরা।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *