জাতীয় কন্যা শিশু দিবস: সমানাধিকারের পথে ভারতের অগ্রযাত্রা
সঙ্কেত ডেস্ক: প্রতি বছর ২৪ জানুয়ারি পালিত জাতীয় কন্যা শিশু দিবস কন্যাশিশুর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জাতীয় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ২০০৮ সাল থেকে মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রকের উদ্যোগে এই দিনটি পালিত হচ্ছে।
২০২৬ সালের জাতীয় কন্যা শিশু দিবস বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গঠনের লক্ষ্যের সঙ্গে যুক্ত। সরকারের মতে, কন্যাশিশুর ক্ষমতায়ন ছাড়া সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও কর্মসূচির মাধ্যমে লিঙ্গ অনুপাত ও শিক্ষায় কন্যাদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক স্তরে কন্যাদের গ্রস এনরোলমেন্ট রেশিও ৮০.২ শতাংশে পৌঁছেছে।
সমগ্র শিক্ষা, কস্তুরবা গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়, বিজ্ঞান জ্যোতি, UDAAN ও NAVYA প্রকল্প STEM শিক্ষায় কন্যাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় IIT ও NIT-তে অতিরিক্ত আসন, বৃত্তি ও গবেষণা প্রকল্পে নারীদের অংশগ্রহণও বেড়েছে।
নারী ও কন্যাদের নিরাপত্তায় POCSO আইন, জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট ও বাল্যবিবাহ নিষেধ আইনের কার্যকর প্রয়োগের পাশাপাশি ‘বাল বিবাহ মুক্ত ভারত’ অভিযান চালানো হচ্ছে।
মিশন শক্তি প্রকল্পের আওতায় হেল্পলাইন, ওয়ান স্টপ সেন্টার ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু রয়েছে। বাজেট ২০২৫–২৬-এ এই প্রকল্পে বরাদ্দ করা হয়েছে ₹৩,১৫০ কোটি টাকা।
এছাড়া সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় ইতিমধ্যেই ৪.২ কোটির বেশি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। জাতীয় কন্যা শিশু দিবস ২০২৬ সেই বার্তাই দেয়— কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নই ভবিষ্যৎ ভারতের শক্ত ভিত।
