নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: রাজ্যের নতুন ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ (Annapurna Yojana) প্রকল্পের ফর্ম পূরণ প্রক্রিয়া নিয়ে এবার তীব্র কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। নতুন এই ১২ পাতার জটিল ফর্ম নিয়ে সমাজমাধ্যমের পাতায় এক দীর্ঘ পোস্টে রাজ্য সরকারের একাধিক নীতি ও সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সেই সঙ্গে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে আগামী ১ জুন থেকেই রাজ্যের সমস্ত মহিলাকে মাসে ৩,০০০ টাকা করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কুণাল। নিজের ফেসবুক ওয়ালে তৃণমূল নেতা লেখেন, “ভোটের আগে যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার এক পাতার ফর্ম দিয়ে মা-বোনেদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ফর্ম ফিল আপ করলেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বেড়ে মাসে ৩,০০০ টাকা হয়ে যাবে, এখন তাঁরাই কি বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই নতুন ১২ পাতার ফর্ম ফিল আপ করে দিয়ে আসবেন?” নতুন এই দীর্ঘ ফর্মে পরিবারের যে বিপুল ও খুঁটিনাটি তথ্য চাওয়া হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত এই তথ্য চাওয়া কতটা জরুরি? কুণালবাবুর কথায়, “ফর্ম পূরণ করলেই কি সবাই টাকা পাবেন? আর যদি পান, তবে কোন মাস থেকে তা কার্যকর হবে? মে মাস থেকে যে বর্ধিত টাকার কথা বলা হয়েছিল, তা কি বকেয়া হিসেবে পাওয়া যাবে?” তৃণমূল শিবিরের দাবি, মহিলাদের আর্থিক স্বনির্ভরতা ও নিজের হাত খরচের অধিকারের উদ্দেশ্যে যে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্প শুরু হয়েছিল, এই দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া সেই মূল উদ্দেশ্যেই বড়সড় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। রাজ্য সরকারের উদ্দেশে কুণালের স্পষ্ট বার্তা, নথির স্ক্রুটিনি বা যাচাইকরণ হতেই পারে, তবে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে সরকারকে অবিলম্বে ১ জুন থেকে রাজ্যের প্রত্যেক মহিলাকে মাসে ৩,০০০ টাকা করে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। উপনির্বাচনের আবহ তৈরি হওয়ার মুখে কুণাল ঘোষের এই ফেসবুক পোস্ট ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। Share Post Whatsapp Share Post navigation অন্নপূর্ণা যোজনায় ১১ পাতার ফর্ম, আধার-ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে সিএএ— মিলবে সব তথ্য, আবেদন শুরু ১ জুন সীমান্ত নিশ্ছিদ্র করতে আরও ১৪২ একর জমি বিএসএফ-কে, কড়াকড়ির চোটে হাকিমপুরে বাংলাদেশিদের ঢল