দিল্লি পাবলিক স্কুল দুর্গাপুর তাদের স্কুলে, সংবিধান, প্রজাতন্ত্র ও ২৬ – এর অঙ্গীকার নিয়ে ৭৭ তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করল
নিজস্ব প্রতিনিধি,দুর্গাপুর:২৬শে জানুয়ারি সারা দেশে পালিত হয় প্রজাতন্ত্র দিবস। ২৬শে জানুয়ারি ১৯৫০-এ আমাদের সংবিধান কার্যকর হয় এবং ভারত একটি সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসাবে বিশ্বের কাছে স্বীকৃত হয়। দিল্লি পাবলিক স্কুল, দুর্গাপুরে ২০২৬ সালের ২৬শে জানুয়ারি ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হল। এই ঐতিহাসিক যাত্রার মধ্যে দিয়ে, দেশ ও সংবিধানের মাধ্যমে নিজেকে ক্রমাগত শক্তিশালী করার বার্তা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বায়ু সেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন অঙ্কিত রাজ সিং (গ্যালান্ট্রি মেডেল প্রাপক), চিফ অপারেশনস অফিসার, এয়ার ফোর্স স্টেশন অর্জন সিং। তিনি তাঁর সহধর্মিণী, এয়ার ফোর্স স্টেশন অর্জন সিং-এর এয়ার ফোর্স ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি শ্রীমতি প্রতিমা সিং এর সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীরা প্রজাতন্ত্র দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সংবিধান প্রণেতাদের অবদান স্মরণ করে। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ শ্রী উমেশ চন্দ জয়সওয়াল তাঁর বক্তব্যে বলেন, সংবিধান আমাদের অধিকার ও কর্তব্যের পথনির্দেশক এবং শিক্ষার মাধ্যমে এই মূল্যবোধ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে গড়ে তোলা জরুরি।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা নাটক, গান ও নৃত্যের মাধ্যমে দেশাত্মবোধ ও নাগরিক দায়িত্বের বার্তা দেয়। একটি পথনাটিকায় দায়িত্বশীল নাগরিকের ভূমিকা তুলে ধরা হয়। “লেহরা দো” গান ও “নন্না মুন্না রাহী হুঁ” যন্ত্রসংগীত দর্শকদের আকর্ষণ করে। বুলবুল স্কাউট শিক্ষার্থীরা মৌলিক কর্তব্য নিয়ে একটি সঙ্গীতনাট্য পরিবেশন করে।
“ডিজিটাল যুগে প্রজাতন্ত্র দিবস” বিষয়ক একটি ছোট নাটকে ডিজিটাল মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ ও গণতন্ত্র রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। মোট ১৬০ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। “বন্দে মাতরম”-এর গানে পরিবেশিত নৃত্যে ভারতের ঐক্য ও মাতৃভূমির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে শৃঙ্খলা, সততা ও দেশপ্রেমের মূল্যবোধকে সম্মান জানিয়ে দেশের উন্নতিতে অবদান রাখার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শেষে অ্যাক্টিভিটি কো-অর্ডিনেটরের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচীর সমাপ্তি ঘটে।
