নিজস্ব প্রতিবেদন: আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-কে কেন্দ্র করে পশ্চিম বর্ধমান জেলায় প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (DEO) শ্রী পনমবালাম এস. জেলার নির্বাচনী প্রস্তুতি ও ভোটারদের পরিসংখ্যান সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছেন।
এবার জেলায় মোট ৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ২৫৮৮টি পোলিং স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৪টি অক্সিলিয়ারি বা অতিরিক্ত পোলিং স্টেশন রয়েছে।
৬ই এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৯,৬৫,০৯৫ জন।যার মধ্যে পুরুষ ভোটার: ১০,০৫,৩৭৮ জন ও মহিলা ভোটার:৯,৫৯,৬৯৪ জন।জেলায় তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২৩ জন।জেলার মধ্যে আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি (২,৩৯,০৩০ জন), এরপরই রয়েছে দুর্গাপুর পশ্চিম (২,৩৮,৭০০ জন)।
নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রশাসন কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন যার মধ্যে রয়েছে ১০০% ওয়েবকাস্টিং, প্রতিটি পোলিং স্টেশনে ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে।নিরাপত্তা অতশত করতে জেলায় মোট ৫৪৫৫টি ক্যামেরা পোলিং স্টেশনগুলোতে লাগানো হচ্ছে। এর মধ্যে দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৭০৩টি ক্যামেরা বসানো হবে। ভোটের দিন কন্ট্রোল রুম থেকে ওয়েবকাস্টিং প্রক্রিয়া তদারকি করবেন মাইক্রো অবজারভাররা।
নির্বাচন কমিশন ভোটার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য বেশ কিছু কঠোর নিয়ম জারি করেছে:যার মধ্যে উল্লেখ্য
ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোন সুইচড অফ রাখতে হবে এবং বুথে ঢোকার আগে তা বিএলও-র (BLO) কাছে জমা দিতে হবে। পোলিং স্টেশনের ভেতরে এক সময়ে ৪ জনের বেশি ভোটার থাকতে পারবেন না।
ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে এবং কোনো রকম রাজনৈতিক র্যালি বা প্রচার করা যাবে না। ভোটের ৪ দিন আগে (P-4) থেকে ‘ড্রাই ডে’ ঘোষণা করা হয়েছে এবং ২ দিন আগে (P-2) থেকে লাউডস্পিকার ব্যবহার নিষিদ্ধ। এছাড়াও ভোটার দিন ভোটারদের গাড়িতে করে বুথে নিয়ে আসা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
ভোটের কাজে সিভিক ভলান্টিয়ার বা গ্রিন পুলিশদের ভোটের ডিউটিতে রাখা হবে না।ভোটারদের সহায়তার জন্য প্রতিটি বুথে ভোটার অ্যাসিস্ট্যান্স বুথ (VAB) থাকবে, যেখানে বিএলও-রা ভোটারদের পরিচয় শনাক্তকরণে সাহায্য করবেন।